সৌদি আরবের রক্ষণশীল সমাজে যখন প্রথমবারের মতো না’রীদের গাড়ি চা’লানোর অধিকার দেওয়া হল তখন যুবরাজ মোহাম্ম’দ বিন সালমানের নেতৃত্বাধীন স’রকারের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছিল।

সৌদি আরবে না’রীদের গাড়ি চা’লানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে দু’বছর আগে। কিন্তু এই অধিকারের জন্য সে সময় যারা আন্দোলন করছিলেন, তাদের অনেকেই এখনও কা’রাগারে আ’টক রয়েছেন।তাদের পরিবার অভিযোগ করছেন, ব’ন্দিদের অনেকেই নি’র্যাতন ও নানা ধরনের যৌ’ন সহিং’সতার শি’কার হচ্ছেন।

তাদের মধ্যে একজন লুজাইন আল-হাথলুল। তিনি বলেন, ‘মে’য়েদের গাড়ি চা’লানোর আন্দোলনের সমর্থনে আমি আমার নিজের গাড়ি চালাচ্ছি, কিন্তু আমিরাতের ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যবহার করে।’

লুজাইনকে ২০১৮ সালের মে মাসে গ্রে’ফতার করা হয়। ওই একই বছর না’রীদের গাড়ি চা’লানোর অনুমতি দেওয়া হয়।

অতি রক্ষণশীল সৌদি আরবে এই সংস্কারের জন্য ব্যাপক প্রশংসিত হলেও আ’টকের দুই বছর পরও মুক্তি পাননি এই আন্দোলনকারীরা।

না’রীদের গাড়ি চা’লানোর স্বাধীনতাই যদি দেবেন তাহলে কেন শীর্ষ আন্দোলনকারীদের একজনকে এখনও কা’রাগারে আ’টকে রাখবেন?

এ বি’ষয়ে সৌদি যুবরাজ মোহাম্ম’দ বিন সালমান বলেন, ‘এই বি’ষয়টির স’ঙ্গে এর (আ’টক) কোনও সম্প’র্ক নেই। শুরুতেই আমি যেমনটা বলেছি সৌদি আরবের আইনের প্রতি অবশ্যই সম্মান দেখাতে হবে। এর স’ঙ্গে আমরা একমত হই বা না হই। কিংবা এর স’ঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে একমত হই বা না হই।’

লুইজানের পরিবারের অভিযোগ, আ’টক থাকা অবস্থায় তার ও’পর নি’র্যাতন হয়েছে। শুধু নি’র্যাতন করার জন্যই তার ও’পর নি’র্যাতন হয়েছে।

লুইজান আল-হাথলুলের ভাই ওয়ালিদ আল-হাথলুল বলেন, ‘একদিন শেকল বাঁ’ধা অবস্থায় লুইজানকে টেনে হিঁচড়ে মাটির কয়েক তলা নিচে এক কামরায় নিয়ে যাওয়া হয়। সে বুঝতে পারছিল না তাকে কোথায় নেওয়া হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সেখানে একটা ঘরের মধ্যে একজনকে ডাকা হয়। গ’লার স্বর শুনে লুইজান একজন বৃ’দ্ধকে চিনতে পারে, যে এর আগে নি’র্যাতন করার সময় তাকে ধ’র্ষণ করার হু’মকি দিয়েছিল।’

সৌদি যুবরাজ অভিযোগটি ত’দন্ত করে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এখনও ত’দন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করছি।’

এদিকে স’রকারি নি’য়ন্ত্রণাধীন সংবাদ মাধ্যমে এই না’রীদের বিশ্বাসঘা’তক নামে ডাকা হয়।

ইউরোপিয়ান সৌদি অর্গানাইজেশন অব হিউম্যান রাইটসের আলী আদুবিসি বলেন, ‘শুধু তাদের কর্মকাণ্ডের জন্যই এদের আ’টক করা হয়নি। আমার বিশ্বাস এদের এখনও আ’টক রাখার মধ্য দিয়ে সৌদি আরবের না’রীদের আন্দোলনকারীদের একটি স্থায়ী হুঁ’শিয়ারি দেওয়া হচ্ছে যে এসব না’রীর মতই তোমাদের ভাগ্যেও একই ব্যাপার ঘটবে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here