আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ট্রা’ম্পের স’ঙ্গে টিকটকের তি’ক্ততা চ’রমে উঠেছে। বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম টিকটকের মূ’ল কোম্পানির স’ঙ্গে লেনদেন বন্ধের নির্দেশিকায় স্বাক্ষর করেছে মা’র্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রা’ম্প। এরপরেই আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁ’শিয়ারি দিল টিকটক।

চীন-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উ’ত্তেজনার মধ্যেই চীনা সামাজিক মাধ্যম উইচ্যাটের বি’রুদ্ধে একই ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন মা’র্কিন প্রে’সিডেন্ট। উইচ্যাটের স্বত্বাধিকারী টেনসেন্ট বলেন, পুরো বি’ষয়টি অনুধাবনের জন্য ট্রা’ম্পের নির্বাহী আদেশটি পর্যবেক্ষণ করছেন তারা।

নির্বাহী আাদেশে ট্রা’ম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মোবাইল বাজারে ছড়িয়ে পড়া চীনের তৈরি অ্যাপস, জাতীয় নিরাপত্তা, পররাষ্ট্রনীতি এবং মা’র্কিন অর্থনীতির জন্য হু’মকি। টিকটক এবং উইচ্যাট বিস্তৃত পরিসরে ব্যবহারকারীদের ত’থ্য হাতিয়ে নিয়েছে। যা দিয়ে চীনা কমিউনিস্ট স’রকার মা’র্কিনদের ব্যক্তিগত এবং সম্পদের ত’থ্যে প্রবেশ করতে পারেব।

নির্বাহী আদেশে দাবি করা হয়, অ্যাপস দুটি চীনা নাগরিক যারা যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ করে তাদের ত’থ্য সংরক্ষণ করে। পরবর্তীতে বেইজিং সেই ত’থ্য অনুসরণ করে। ট্রা’ম্প বলেন, টিকটকের ত’থ্যভাণ্ডার চীনকে মা’র্কিন স’রকারি কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত ত’থ্য নিয়ে ব্ল্যা’কমেইলের সুযোগ করে দিচ্ছে। পাশাপাশি বেইজিংকে বাণিজ্যিক গু’প্তচরবৃত্তির সুযোগ দিচ্ছে বলেও জানান ট্রা’ম্প।

হংকংয়ের বি’ক্ষো’ভ, বি’ক্ষো’ভে চীনের ভূমিকা, উইঘুর মু’সলমানদের বি’রুদ্ধে চীনের দ’মনপীড়নের মতো স্পর্শকাতর বি’ষয়গুলো টিকটক সরিয়ে ফে’লে বলেও নির্বাহী আদেশে উল্লেখ করা হয়। ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনোমিক পাওয়ার অ্যাক্ট এবং ন্যাশনাল ইমার্জেন্সিস অ্যাক্টের ক্ষ’মতাবলে নির্বাহী আদেশ দুটি জারি করেন ট্রা’ম্প।

ট্রা’ম্প প্রশাসনের নেয়া এ পদক্ষেপের বি’ষয়ে টিকটক বলছে, যে বেনামি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নির্বাহী আদেশ জারি করা হয়েছে তার কোনো অস্তিত্ব নেই। টিকটক জানায়, আমরা স্পষ্ট করে বলেছি, টিকটক কখনো ব্যবহারকারীর ত’থ্য চীনা স’রকারকে দেয়নি। কখনোই বেইজিংয়ের আহ্বানে কোনো ত’থ্যচিত্র সেন্সর করেনি। এমনকি আমরা স্বেচ্ছায় আমাদের কোম্পানি মা’র্কিন প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করতে রাজি হয়েছি।

চলতি সপ্তাহে ট্রা’ম্প জানিয়েছেন, মাইক্রোসফটের কাছে টিকটক বিক্রিতে তিনি সহায়তা করবেন। যদি স’রকার বিক্রি মূ’ল্য থেকে ভাগ পায়।

টিকটক জানায়, নতুন নির্বাহী আদেশ, আইনের শাসনের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রে বৈশ্বিক ব্যবসাকে ঝুঁ’কিতে ফেলবে। একইসেঙ্গ হু’মকিতে ফেলবে মুক্ত মত এবং মুক্তবাজারকে। যার থেকে বি’পজ্জনক নজির স্থাপন হতে পারে।

আমাদের ব্যবসা, ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় সবকিছু করবো আমরা। মা’র্কিন প্রশাসন যদি আইনের শাসন রক্ষা না করে তবে আমরা যুক্তরাষ্ট্রের আদালেত যাবো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here