নারায়ণগঞ্জ থেকে ঘণ্টা বাজাতে হবে : কর্মিসভায় শামীম ওসমান

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করেছিল আর এখন বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যে হাতুড়ি লাগিয়ে একবার নয়, কয়েক শ বার হত্যা করেছে। আওয়ামী লীগকে নয়, ওরা চায় আপনার-আমার সন্তানের ভবিষ্যতকে শেষ করতে। তাঁরা দেশটাকে একটা ব্যর্থ, অকার্যকর রাষ্ট্র বানানোর খেলায় নেমেছে। লাখো লোকের সমাবেশ চাই। আওয়াজ এমনভাবে তুলতে হবে, যাতে তাঁরা বুঝে নারায়ণগঞ্জের খেলোয়াড়রা রেডি হয়ে গেছে,

খেলা আরেকবার হবে। আগামী ৯ (৯ জানুয়ারি) তারিখে নারায়ণগঞ্জ থেকে ঘণ্টা বাজাতে হবে।’জেগে ওঠো বাঙালি ৭১-এর চেতনায়’ স্লোগানকে সামনে রেখে রবিবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকেলে নাসিম ওসমান মেমোরিয়াল অ্যামিউজমেন্ট পার্কে ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের কর্মিসমাবেশে এ কথা বলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা এ কে এম শামীম ওসমান।

শামীম ওসমান বলেন, নেলসন ম্যান্ডেলা বলেন, মহাত্মা গান্ধী বলেন আর শেখ মুজিবুর রহমানই বলেন। এরা হাজার বছরে একজন আসে, একটি জাতিকে মুক্ত করার জন্য। ওই মীরজাফররা আওয়ামী লীগকে বিভক্ত করতে চায় কিন্তু তারা আওয়ামী লীগকে বিভক্ত করতে পারবে না। যে খেলা শুরু হয়েছে, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে আগে হয় নাই। এটা সরকার পরিবর্তনের খেলা না, রাষ্ট্রকে ধ্বংস করার খেলা। ৯ তারিখে শুধু স্বাধীনতার পক্ষের কর্মী থাকবে। ওরা আজকে বলছে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য মানি না,

কালকে বলবে নারীরা ঘর থেকে বের হতে পারবে না, পরশু বলবে একুশে ফেব্রুয়ারিতে ফুল দেওয়া যাবে না, তার পরের দিন বলবে ১৬ ডিসেম্বরে ৩০ লাখ শহীদদেরকে শ্রদ্ধা দেওয়া যাবে না, তারপরে বলবে পহেলা বৈশাখ করা যাবে না, একটার পর একটা আস্তে আস্তে বের করবে ওরা। ওরা আমাদের নতুন প্রজন্মকে শেষ করে দিয়ে বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্র বানাতে চায়।

ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সাইফউল্লাহ বাদলের সভাপতিত্বে কর্মিসমাবেশে বক্তব্য দেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ মোহাম্মদ বাদল, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি ও মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি চন্দন শীল, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোকন সাহা, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম শওকত আলী, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নিজাম,

নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস এম ওয়াজেদ আলী খোকন, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি নাজিমউদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মীর সোহেল আলী, মহানগর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন সাজনু, এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. জুয়েল হোসেন, ফতুল্লা থানা যুবলীগের সভাপতি মীর সোহেল আলী, সাধারণ সম্পাদক মো. ফাইজুল ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাফায়েত আলম সানি, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আজিজুর রহমান আজিজ প্রমুখ।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*