সফরকারী লঙ্কানদের ইনিংসে হারালো দক্ষিণ আফ্রিকা

সফরকারী শ্রীলঙ্কাকে ৪৫ রান ও ইনিংস ব্যবধানে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। করোনা মহামারির লম্বা বিরতি শেষে এটি ছিল লঙ্কানদের প্রথম সফর ও প্রথম ম্যাচ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে সেঞ্চুরিয়ানে প্রথম ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন লঙ্কান অধিনায়ক। ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে ভালোই ব্যাটিং করেন লঙ্কানরা।

যদিও শুরুতে ব্যর্থ হয় টপ-অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান দিমুথ করুনারত্নে (২২), কুশল পেরেরা (১৬) ও কুশল মেন্ডিস (১২)। এরপর দলের হাল ধরেন দীনেশ চান্ডিমাল ও ধনঞ্জয়া ডি সিলভা। দুজনের লম্বা জুটি (১৩১*) থেমে যায় ধনঞ্জয়ার চোটে। ১০৬ বলে ৭৯ রান করে ছাড়েন মাঠ। চান্ডিমালের ৮৫, নিরশন ডিকবেলার ৪৯, ধাসুন শানাকার ৬৬ রানে ভর করে ৩৯৬ রানে প্রথম ইনিংস শেষ করে লঙ্কানরা।

প্রোটিয়াদের হয়ে ৪ উইকেট নেন লুথো সিম্পালা, ৩ উইকেট নেন উইয়ান মুল্ডার। ১ টি করে উইকেট নেন লুঙ্গি নিগিদি ও এনরিক নর্কিয়া।এদিকে লঙ্কানদের প্রথম ইনিংসের জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রোটিয়া দুই ওপেনার ডিন এলগার ও এইডেন মার্ক্রামের জুটি থেকে আসে ১৪১ রান। মার্ক্রাম ৬৮ রানে বিদায় নিলেও এলগার পৌঁছে যান শতকের অনেক কাছে।

তবে কাটিয়ে নাইন্টিনের নার্ভাসটা। ৯৫ রানে ক্যাচ আউট হয়ে ফেরেন সাজঘরে। এলগার শতকের কাছে ফিরেছেন তবে ফাফ ডু প্লেসি ফিরেছেন দুই শত রান পূর্ণের মাত্র ১ রান দূরে। চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ২৭৬ বলে ১৯৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেললেও রয়ে গেছে এক রানের আক্ষেপ। প্লেসির মতো ১৯৯ রানের মাথায় আউট হয়েছেন আরও ১১ ব্যাটসম্যান।

১৯৮০ থেকে ১৯৯০ সালের ভেতর মুসাদ্দার নাজার, মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন, ম্যাথু এলিয়ট, সানাথ জয়সুরিয়া ও স্টিভ ওয়াহ। ২০০০ সালের পর থেকে ইউনিস খান, ইয়ান বেল, স্টিভ স্মিথ, লোকেশ রাহুল, ডিন এলগার ও সরশেষ ফাফ ডু প্লেসি। প্লেসির বিদায়ের পর টেম্বা ভাভুমার ৭১ ও কেষব মহারাজের ৭৩ রানে ৬২১ রানের বিশাল স্কোর গড়ে প্রোটিয়ারা।

তাতে লঙ্কানদের সামনে লিড দাঁড়ায় ২২৫ রান। লঙ্কানরা এই রান টপকে লিড তো দিতেই পারেনি উল্টো হেরেছে ৪৪ রান আর ইনিংস ব্যবধানে। দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১৮০ রানে অল-আউট হয়েছে লঙ্কানরা। এই ইনিংসে সর্বোচ্চ ৬৪ রানের ইনিংস খেলেছেন কুশল পেরেরা আর ৫৯ রান করেছেন ওয়াহিন্দু হাসারাঙ্গা।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*