সরকার সারাদেশে পরিকল্পিত হত্যা শুরু করেছে : টুকু

যুবদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু বলেছেন, সরকার সারাদেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা শুরু করেছে। আওয়ামী লীগের এ সন্ত্রাসী তাণ্ডবে নারী নেত্রীরাও রক্ষা পাচ্ছেন না। কিন্তু এভাবে বেশিদিন চলবে না। দেশে গণতন্ত্র ফিরবেই। সেদিন এসব হত্যা আর জুলুমের বিচার অবশ্যই হবে।

শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাংবাদিকদের তিনি এসব বলেন।

টাঙ্গাইলের গোপালপুর শহর বিএনপির সভানেত্রী ও পৌরসভার নারী কাউন্সিলর প্রার্থী হাফিজা বেগমকে হত্যার অভিযোগ করেন তিনি। গত ১৮ ডিসেম্বর গোপালপুর পৌরসভার ডুবাইল এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল চাপা দিয়ে গুরুতর আহত করে। আহত অবস্থায় তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি তরা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসান জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি সেখানে মারা যান।

তার মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যান সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, সারাদেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের হত্যার ধারাবাহিকতায় হাফিজা বেগমকেও নৃশংসভাবে হত্যা করেছে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা। কিন্তু এভাবে হত্যা-গুম-নির্যাতন করে ক্ষমতায় চিরকাল থাকতে পারবে না। দেশের জনগণ ফুঁসে উঠেছে। জনগণের রোষাণল থেকে বাঁচতে হলে দেশের গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে দিয়ে এখুনি পদত্যাগ করুন।

হাফিজা বেগমকে স্মরণ করে তিনি বলেন, তিনি ছিলেন দলের একজন নিবেদিত কর্মী। সারাজীবন জাতীয়তাবাদী আদর্শকে বুখে ধারণ করে রাজনীতি করেছেন। এজন্যই তাকে টার্গেট করে হত্যা করা হয়েছে।

এসময়ে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, নির্বাচনী প্রচারণার জন্য গত ১৮ ডিসেম্বর বিকেল ৪টার দিকে গোপালপুর পৌরসভার ডুবাইল পুর্বপাড়ার বাড়ি থেকে সে একটি ওয়াজ মাহফিলে যাচ্ছিলেন। বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর রাস্তায় উঠলেই উল্টো দিকে থেকে দ্রুতগতিতে একটি মোটরসাইকেল এসে তাকে চাপা দেয়। এতে সে পরে যান। তার দুটি পা ভেঙে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসান জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় তার স্বামী আবদুল খালেক পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ এনে আওয়মী লীগের নেতা মুক্তার হোসেনকে অভিযুক্ত করে গোপালপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*