সৌদি ও আমিরাতের যুবরাজকে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে তলব

সৌদি আরব ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানকে তলব করেছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত।কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরার সংবাদ উপস্থাপিকা গাদা ওউইস মোবাইল ফোন হ্যাকিংয়ের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাদের তলব করা হয়।

আদালত উভয় অভিযুক্তকে জবাব দেয়ার জন্য ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন। মামলায় অন্য আসামিদের মধ্যে সৌদির যুবরাজ সালমানের সাবেক সহযোগী সৌদ আল-কাহতানিসহ অনেকেই রয়েছেন। এই তালিকায় সৌদির আল আরাবিয়াহ গণমাধ্যমকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মামলার উদ্দেশ্য হল, ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকা। একই সঙ্গে হ্যাকিং-এর ফলে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তার জন্য ৫ হাজার মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে। মামলার ফলে আল-জাজিরা কর্মীদের ফোনে নজরদারি এবং হ্যাকিং এর রহস্য উন্মোচন হবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে। গাডা ওউইড-এর করা মামলা ন্যায় বিচারের সূচনা বলেও উল্লেখ করা হয়।

সম্প্রতি কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার অন্তত ৩৬ কর্মীর মোবাইল ফোন হ্যাক করে ইসরাইলি প্রতিষ্ঠান এসএসও গ্রুপের একটি স্পাইওয়্যার দিয়ে। সাইবার নিরাপত্তা গবেষকরা এই তথ্য জানান। হ্যাকিংয়ের শিকার হওয়া ৩৬ জনের মধ্যে আল জাজিরার কর্মী, টিভি উপস্থাপক ও নির্বাহী কর্মকর্তারা রয়েছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইফোন অপারেটিং সিস্টেমের একটি দুর্বলতা কাজে লাগাতে ইসরাইলি স্পাইওয়্যার ব্যবহার করা হয়। এটি সৌদি ও আমিরাত থেকে হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।উল্লেখ্য, সন্ত্রাসে পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ তুলে ২০১৭ সালে কাতারের সঙ্গে কূটনেতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থগিত রাখার ঘোষণা দেয় সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিসর।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*