অ’ভিনেত্রী-মডেলদের স'ঙ্গে হোটেলে রাত কা’টাত হেলিকপ্টার রুবেল

হেলিকপ্টার নিয়ে ঘুরে ঘুরে যে বিপুল পরিমাণ অর্থ পেত তা দিয়ে সুন্দরী অ'ভিনেত্রী-মডেলদের স'ঙ্গে রাজধানীর পাঁচ তারকা হোটেলে রাত কা’টাত প্র’তারক রুবেল আহমেদ ওরফে হেলিকপ্টার রুবেল।এর বাইরে উত্তরা-১ ও ১৮ নম্বর সেক্টরে তার ভাড়া বাসায় নিয়মিত যাতায়াত ছিল সুন্দরী রমণীদের। কথিত প্রকল্পের ডকুমেন্টরি তৈরির কথা বলে এসব সুন্দরীকে নিয়ে মাঝেমধ্যেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াত রুবেল ও তার সহযোগীরা।তবে রুবেলের হেলিকপ্টার ব্যবহার করাটা ছিল ভু’ক্তভো’গী’দের আস্থা অর্জনের জন্যই। রুবেল নিজেকে পরিচয় দিত কানাডিয়ান কাউন্সিল ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অ’পারেশন নামে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম মোহা'ম্ম’দ জসিমের আ’দালতে স্বী’কারো’ক্তিমূ’লক জবা’নব’ন্দিতে এমন তথ্যই দিয়েছে রুবেল। অন্যদিকে কুষ্টিয়ার খোকসা থা’নায় হেলিকপ্টার রুবেলের বি’রু'দ্ধে আরও একটি মা’মলা করেছেন মুজাহিদুল ইস’লাম বাবুল নামের একজন।মা’মলায় রুবেলের কাছে তিনি ২৮ লাখ ৯১ হাজার টাকা পান বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউ’ন্টার টে’ররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রা'’ইম ইউনিটের (সিটিটিসি) উপ-কমিশনার মাহফুজুল ইস’লাম বলেন, ‘প্র’তারণায় রুবেলের কৌশল তারিফ করার মতো।

সাধারণ মানুষের বিশ্বা’স অর্জনে সে পুরোপুরি সফল ছিল। তার বি’রু'দ্ধে অ’ভিযোগের সংখ্যা ক্র’মান্বয়ে বেড়েই চলেছে। কুষ্টিয়া আ’দালতে নাকি এই চ’ক্রের বি’রু'দ্ধে আরও মা’মলা হয়েছে, এটা আম’রা জানতে পেরেছি।’জবা’নব’ন্দিতে যা বলেছে রুবেল: আ’দালত ও তদ’ন্ত-সং’শ্লিষ্ট সূত্রমতে, স্বী’কারো’ক্তি’তে লিটন বলেছে, প্রায় তিন মাস আগে মো. জাকারিয়া হোসেন ওরফে লিটনের স’'ঙ্গে তার পরিচয় হয়।

লিটন আর সে কানাডিয়ান সাহায্য সংস্থা সিসিআইসির (কানাডিয়ান কাউন্সিল ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অ’পারেশন) মাধ্যমে গরিব ও দুস্থ ব্যক্তিকে ঘর তৈরি, স্কুল তৈরি, বাঁধ নির্মাণ, কৃষকদের মধ্যে ডিপ টিউবওয়েল বিতরণ করার নামে প্র’তারণা’ করার পরিকল্পনা করে।এ ক্ষেত্রে ঢাকার এক ব্যক্তি (অন্যতম একজন পার্টনার) তাদের প্রকল্পের প্রোফাইল তৈরি করতে সার্বিক সহায়তা করে। ওই ব্যক্তি আইটি বি'ষয়ে পারদর্শী এবং অ’তীতে সে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার বিভিন্ন প্রকল্পে মাঠপর্যায়ে কাজ করেছে।

এ ছাড়া প্র;তারণার কাজে মোবাইলে এসএমএস, কানাডিয়ান সাহায্য সংস্থার ফরম, বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট থেকে ফরম বের করতে সহায়তা করে। রুবেল পরবর্তী সময়ে ঢাকায় এসে পা’লিয়ে থাকে।সিটিটিসি সূত্র জানায়, প্র’তারক রুবেল সম্প্রতি কুষ্টিয়া জে’লার খোকসা উপজে’লার ৩ নম্বর বেতবাড়িয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম পরিদ’র্শন করেন। সেখানে জলবায়ুর কারণে ক্ষ’তিগ্রস্ত পরিবার, দারিদ্র্যপীড়িত লোকের তালিকা তৈরি করেন।

এ জন্য তিনি ইউপি চেয়ারম্যানের স'ঙ্গে সাক্ষাৎ করে জানান, তার কাছে ১৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকার একটি অনুদান রয়েছে। এ অনুদানের অর্থ দিয়ে সেই গ্রামের ক্ষ’তিগ্রস্ত ও দরিদ্র লোকদের আবাসন নির্মাণ, গভীর নলকূপ প্রদান, স্কুল নির্মাণ, নদীভাঙন রো’ধে রক্ষাবাঁধ নির্মাণ ও দুস্থদের চিকিৎসাসেবা দেবেন।

জনপ্রতিনিধিসহ এলাকার লোকজন তার কথায় আস্থা অর্জন করে এলাকার দরিদ্র পরিবারের মধ্যে ২০০ জনের একটি তালিকাও তৈরি করে দেন। সিটিটিসি কর্মক’র্তারা বলছেন, আস্থা অর্জনের জন্য ওই প্র’তারক প্রাথমিকভাবে খোকসায় কিছু ইট কেনেন এবং একটি জমি কেনার জন্য দেড় লাখ টাকা বায়না করেন।

তিনি ওই এলাকায় তিনবার হেলিকপ্টারে গিয়ে পরিদ’র্শনও করেন। এসব কারণে মানুষ তাকে বিশ্বা'স করে। বরাদ্দের টাকা ছাড় করাতে স্থানীয় একজন জনপ্রতিনিধি দুই দফায় তাকে ৪৩ লাখ টাকাও তুলে দেন। এরপরই রুবেল তার মোবাইল ফোন ব’ন্ধ করে আ’ত্মগো’পনে চলে যান।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*