প্রতিদিন এভাবেই দুধ-ভাত খাওয়ান স্বপন তার ৯৬ বছর বয়সী মাকে

৯৬ বছর বয়সী মাকে প্রতিদিন এভাবেই দুধ-ভাত খাওয়ান স্বপন! সেলুট এমন সন্তানকে – মা তো মা ই ! মায়ের তুলনা পৃথিবীর অন্যকিছুর সাথে কখনো তুলনা করা যায় না। মায়ের প্রিয় খাবার দুধ-ভাত আর কলা। তাই প্রতিদিনই স্কুল থেকে ফিরে এভাবেই পরম যত্নে নিজ হাতে

মা’কে একসঙ্গে দুধ, ভাত আর কলা খাওয়ান ফরিদপুরের চর টেপাখোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী তৈয়বুর রহমান স্বপন। খাওয়ানো ছাড়াও তিনি তার অশীতিপর মাকে নিয়মিত গোসল করান ও সময়মতো ওষুধ সেবন করান। স্বপনের মতো মায়ের প্রতি প্রত্যেক সন্তানেরভালোবাসা এরকমই হওয়া উচিৎ। ছবি-মাহবুব হোসেন পিয়াল, সূত্র: রাজবাড়ী জেলা থেকে প্রকাশিত দৈনিক মাতৃকন্ঠসন্তানকে এসব কথা কখনোই বলা উচিৎ নয়আমারা নিজেদের সন্তানের ভালোর জন্য বকা-ঝকা করা করে থাকি; আপনি হয়ত ভাবছেন একটু বকা দিলে ক্ষনেই। আসলে বিষয়াটি তা নয়; বকা-ঝকা করা অাপনার সন্তানের মনে ও তার ব্যক্তিত্বে অনেক নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। শুধুমাত্র নেতিবাচক প্রভাবই নয়; সর্ম্পকে এতে ফাটল ধরে! আসুন জেনে নিই, এমন কিছু ভুল কথা যা সন্তানকে কখনোই বলা উচিৎ নয় আমাদের:

আমাকে একা থাকতে দাও: প্রতিটি মানুষের নিজস্ব কিছু সময় কাটানোর জন্য একান্ত প্রয়োজন হয়। জীবনে এমন কোনো এক সময় আসে, যখন সবাই একা একা থাকতে চায় খানিকটা সময়। কিন্তু তাই বলে সন্তানকে সরাসরি বলা যাবে, “আমাকে একা থাকতে দাও”। এ কথা তাদের মধ্যে নিরপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে। সে ভাবে আপনি হয়তো আর তাকে ভালোবাসেন না।

তোমার ভাই বা দিদির মত হতে পারো না: আপনার সন্তানকে তার ভাইবোন বা কাজিনের সঙ্গে তুলনা করতে যাবেন না। প্রতিটি মানুষই স্বতন্ত্র। আপনার এ ধরণের তুলনা তার ব্যক্তিত্বে খুবই খারাপ প্রভাব ফেলে এবং নিজের ভেতর হীনমন্যতা সৃষ্টি হয়। যা সন্তানের জন্য মারাত্মক মানসিক অশাস্তি সৃষ্টি করে।

কোনো কাজ ঠিকমত করতে পারো না: একটা ছোট বাচ্চার বুঝার ক্ষমতা সীমিত থাকে। তবুও সে সব কাজ নিখুঁত করার চেষ্টা করে। কিন্তু সবসময় তা সঠিক নাও হতে পারে। তার মানে এই নয় যে, তার দ্বারা কোনো কাজ হবে না। থাম! না হলে তোমাকে মারব: এ কথাটি প্রায় সব বাবা মায়েরা তার সন্তানদের শুনিয়ে থাকেন। আপনি সন্তানকে মারেন বা না মারেন এ কথাটি তার মনে বিদ্রোহী মনোভাব সৃষ্টি করে এবং এটি সন্তানকে জেদি ও অবাধ্য করে তোলে।

তুমি না জন্মালে ভালো হতো: রাগ করে হোক বা অন্য কোনো কারণেই হোক সন্তানকে এই ধরণের কথা বলবেন না। এই একটি কথাই আপনার প্রতি সন্তানের ঘৃণা তৈরির জন্য যথেষ্ট। তুমি খুব মোটা বা শুকনো: কোনো শিশুকে তার স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলা উচিত নয়। কারণ এটি তার মধ্যে নিজের প্রতি ঘৃণা তৈরি করে। সুতারাং, তার শরীরের গঠন নিয়ে কথা বলা থে

ফলে তার স্কুলে যেতে দেরি হয়ে যায়। এ জন্য আপনি যদি তাকে শাস্তি দেন বা তাড়াতাড়ি কর কথাটি বারবার বলেন। বেবি মাইন্ডস বইটির সহ লেখিকা (পি.এইচ.ডি) লিন্ডা অ্যাক্রিডোলো বলেন, “এতে সে খুব বাড়তি চাপ অনুভব করবে”। তাই আপনি তাকে আস্তে করে বলুন, “চলো তাড়াতাড়ি করি।” তখন সে বুঝতে পারবে তার দেরি হয়ে যাচ্ছে।

নরম সুরে কথা বলুন: আপনি অভিভাবক হিসেবে তার সাথে নরম সুরে কথা বলুন ধমক দিয়ে নয়। এতে করে তার কোমল মনে কোন ক্ষত সৃষ্টি হবেনা । প্রতিটি মা-বাবাই তার বাচ্চাদের ভলোবাসেন এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু অনেক সময় আমরা হুটহাট এমন সব কথা বলি যা, তাদের মানসিক বৃদ্ধি বাঁধাগ্রস্থ হয় ও তার উপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই কিছুটা সাবধানতা অবলম্বন করে কথা বলুন সন্তানের সাথে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*