প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মেয়েকে ভর্তি করে প্রশংসায় ভাসছেন ইউএনও

অভিভাবকরা একেবারে বাধ্য না হলে সন্তানদের পড়াতে চাননা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাদের ভাষ্য, অর্থের অভাবে বিকল্প নেই বলে বাধ্য হয়েই সন্তানদের সরকারি বিদ্যালয়ে পাঠানো হয়।উচ্চবিত্ত কিংবা সরকারি বড় বড় কর্মকর্তাদের সন্তানদের বেলাও তার ব্যতিক্রম ঘটেনা। সাধারণত ইংরেজি মাধ্যম কিংবা কিন্ডারগার্টেন দিয়ে তাদের সন্তানদের স্কুল জীবন শুরু হয়।তবে এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাহ্ফুজুল আলম মাসুম।

তিনি তার মেয়ে মাশফিয়া মাহফুজ প্রমাকে উপজেলার গড়কান্দা মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করান।বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) ইউএনওসহ ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে তার মেয়ের ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। পরে এ সংক্রান্ত কিছু ছবি সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ছড়িয়ে পড়লে সর্ব মহলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন ইউএনও মাসুম।ইউনুস মিয়া নামে একজন ফেসবুকে লিখেছেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করার জন্য স্যারকে আন্তরিক ধন্যবাদ। এতে আরও অনেকের সন্তান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য অনুপ্রাণিত হবেন।

আরও পড়ুনঃরান্না করতে গিয়ে বেশির ভাগ গৃহিণী এই ভুলগুলো করে থাকে – আমাদের রান্নার পর্ব শুরুই হয় ভুলের হাত ধরে৷ সব্জি কাটা থেকে যার সূত্রপাত৷ এর পর ধাপে ধাপে এত ভুল হয় যে, শেষমেশ খাবার যখন পাতে পৌঁছয়, তাতে পুষ্টি যতটা থাকার কথা, তা তো থাকেই না, উল্টে হাজির হয় কিছু বিপদ৷ আমরা সচরাচর ভাল করে খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট করে কেটে রান্নার আগে পর্যন্ত সব্জি ভিজিয়ে রাখি জলে৷ যে সব সব্জির খোসা ছাড়াতে হয় না, তাদেরও কেটে ভিজিয়ে রাখার চল আছে৷ উদ্দেশ্য, ময়লা ও কীটনাশকের বিষ মুক্ত করা৷ বিষাক্ত রংও এ ভাবে কিছুটা দূর হয়৷ সঙ্গে দূর হয় ভিটামিন বি ও সি–এর প্রায় ৪০ শতাংশ৷ ত্বক বিশেষজ্ঞ সঞ্জয় ঘোষের মতে, “বিষাক্ত রং ও কীটনাশকের দৌলতে ত্বকের রোগ থেকে শুরু করে আরও এমন সব অসুখ হতে পারে, যে

ভিটামিনের সঙ্গে সমঝোতা করে হলেও ধোওয়া–ধুয়িটা ঠিক করে করা দরকার৷ সব্জি কাটার আগে ভাল করে ধুয়ে জলে ভিজিয়ে রাখা উচিত৷ তাতে কিছুটা ভিটামিন গেলে যাবে৷ তবে সব্জি বড় করে কাটলে, কাটার পর না ধুয়ে সঙ্গে সঙ্গে নিয়ম মেনে রান্না করে নিলে ভিটামিনের অনেকটাই রক্ষা পায়৷ ফাইবার ও পুষ্টির কথা ভাবলে, সব্জির খোসা না ছাড়ানোই ভাল৷ ডায়াবিটিস, হাই কোলেস্টেরল বা মেদবাহুল্যে যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের জন্য তো বিশেষ করে৷ কিন্তু তা করা যায় না এই সব রং ও কীটনাশকের জন্যই৷ তবে পাতলা করে খোসা ছাড়াতে পারেন, যাতে দু–দিকই রক্ষা করা যায়৷”

দ্বিতীয় ভুল,গরম তেলের ধোঁয়া আমাদের ধারণা, গরম কড়াইতে তেল দেওয়ার পর যতক্ষণ না ধোঁয়া ওঠে ফোড়ন বা মাছ–সব্জি দিতে নেই৷ কারণ, তা হলে রান্নায় কাঁচা তেলের গন্ধ থেকে যায়৷ ধারণাটি ভুল৷ প্রতিটি তেলের নির্দিষ্ট স্মোক পয়েন্ট থাকে, অর্থাৎ যে তাপমাত্রায় তেল ভেঙে গিয়ে ধোঁয়া ওঠে৷ এই ধোঁয়ার সঙ্গে উড়ে যায় উপকারী ফ্যাটি অ্যাসিড৷ ভাঙে ভিটামিন৷ তৈরি হতে শুরু করে ফ্রি–র‍্যাডিক্যালস নামের ক্ষতিকর উপাদান৷ হাই কোলেস্টেরল, হূদরোগ, স্ট্রোক, অ্যালঝাইমার, ক্যানসার ইত্যাদি রোগের মূলে যার হাত আছে৷ ধোঁয়ার মাঝে রান্না করলেও শরীরে ঢ়োকে ফ্রি–র‍্যাডিক্যালস৷ এই সব রোগের দরজা খুলে যায়৷ হাঁপানি রোগীর সমস্যা বাড়ে৷ কাজেই কড়াই গরম করে তেল দিন৷ ধোঁয়া বেরনোর আগেই, ফোড়ন–সব্জি–মাছ দিয়ে, ঢাকা দিয়ে দিন৷ ক্ষতিকর ধোঁয়ার হাত থেকে শরীর বাঁচবে৷ পুষ্টিও থাকবে অটুট৷

পোড়া তেল কি ফেলে দিতে হবে?“পোড়া তেল আরেক বার ব্যবহার করা যাবে কিনা তা নির্ভর করে কয়েকটি বিষয়ের উপর৷ যেমন, কোন তেলে কত তাপমাত্রায় ভাজা হয়েছে, তেল কতক্ষণ গরম হয়েছে ও ঠান্ডা হওয়ার পর কী ভাবে তাকে রাখা হয়েছে ইত্যাদি৷ সানফ্লাওয়ার, ক্যানোলা, সর্ষে, তিল ও নারকেল তেলউচ্চ তাপেও মোটামুটি ঠিক থাকে৷ কাজেই মাঝারি তাপে অল্প সময় ধরে ডিপ ফ্রাই করলে পরে আরেক বার সেই তেলে রান্না করতে পারেন৷ তবে তাকে ছেঁকে রাখতে হবে৷ তেল ঘোলা হয়ে গেলে ফেলে দেওয়াই ভাল”, জানালেন বিজয়া৷

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*