ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানী শুরু, ক্ষ’তিগ্রস্ত হবে দেশের কৃষকরা।

রফতানি শুরুর পর প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে চট্টগ্রামের বাজারে এসেছে চার ট্রাক পেঁয়াজ। রোববার পেঁয়াজভর্তি ট্রাকগুলো বন্দর নগরীর ভোগ্যপণ্যের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে এসে পৌঁছায়। তবে ভারত থেকে পেঁয়াজ আসার খবরে অনেকটা শঙ্কা প্রকাশ করেছেন আমদানিকারকরা।

খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজের বড় বিপণিকেন্দ্র হামিদুল্লাহ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, ভারতের পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের পর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রচুর পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। ফলে পেঁয়াজের দাম ছিল নিম্নমুখী। এছাড়া বাজারে আসতে শুরু করেছে দেশি মুড়িকাটা পেঁয়াজও। এমন সময়ে ভারতের পেঁয়াজ আসায় আমদানিকারক ও দেশের কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এক আড়তদার জানান, পাইকারিতে তুরস্কের ছোট সাদা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ১৬ টাকায় ও বড় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০-২২ টাকায়। এছাড়া ছোট লাল পেঁয়াজ ৪৫-৪৬ টাকা, মিয়ানমারের পেঁয়াজ ৪৫-৪৭ টাকা, দেশি মুড়িকাটা পেঁয়াজ ৩২-৩৫ টাকা, মিশরের পেঁয়াজ ২৯-৩০ টাকা ও নিউজিল্যান্ডের পেঁয়াজ ১৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এর আগে, ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর বেনাপোলসহ দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয় ভারত। দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস রফতানি বন্ধ থাকার পর ২৮ ডিসেম্বর সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয় দেশটি। এরপর শনিবার বিকেল থেকে দেশের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে শুরু হয় ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*