মেয়ের ফোন কলটা কেটে দেওয়ায় আফসোস করছেন বাবা

রাজধানীর কলাবাগানের ডলফিন গলি এলাকায় ধানমন্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলের এক শিক্ষার্থীকে পর অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে তার বয়ফ্রেন্ড ফারদিন ইফতেখার দিহান ও তিন সহপাঠীর বি’রুদ্ধে।

যখন প্রচন্ড র’ক্তপাত শুরু হয় তখন অ’ভিযু’ক্ত ফারদিন ইফতেখার দিহান তাকে ধানমন্ডির আনোয়ার খান ম’র্ডান হাসপাতা’লে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিকাল পাঁচটায় হাসপাতা’লে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা’রা যায়। ম’রদেহ বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লের ম’র্গে রয়েছে। এ বিষয়ে আম’রা মা’মলা করেছি।

বাসার পশ্চিম দিকের শেষ ছোট রুমটিই নি’র্যাতনের শিকার হয়ে মা’রা যাওয়া কি’শোরীর। রুমে ছোট্ট একটা খাট, পড়ার টেবিল আর একটা কাঠের আলমা’রি।

বর্তমানে বাসাজুড়ে শুধুই শূন্যতা। চারদিকে পিনপতন নীরবতা। খাটে বসে আছেন তিনদিন আগে মা’রা যাওয়া আনুশকাহ নূর আমিন নামে ওই কি’শোরীর বাবা।

রোববার সেদিনের ঘটনার বর্ণনায় আনুশকাহ’র বাবা কা’ন্নাজ’ড়িত কণ্ঠে বলেন, ঘটনার দিন ঠিক ১২টা ১৯ মিনিটে আমা’র মে’য়ের নম্বর থেকে কল আসে। আমি মিটিংয়ে থাকায় ফোনটা কে’টে দেই। এরপর আর ফোন করেনি। তার কিছু সময় পর আমা’র স্ত্রী’র ফোনে কল আসে। ফোন করে আমা’র মে’য়ের অ’সুস্থতার কথা জানায়। প্রথম ফোনটা না ধ’রাটাই ছিল আমা’র সবচেয়ে বড় ভুল।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*