শামীমের কোনো দোষ নেই: অভিনেত্রী আশার মা

রাজধানীর মিরপুরের টে’কনিক্যাল মোড় এ’লাকায় ট্রাকের চাপায় অভিনেত্রী আশা চৌধুরীর মৃত্যুর ঘটনায় কে দায়ী, তা নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে। এ ঘটনায় আ’শাকে ব’হনকারী মো’টরসাইকে’লটির চালক শামীম আহমেদ ও অজ্ঞা’তপরিচয় ট্রাকচাল’কসহ কয়েকজ’নকে আ’সামি করে সড়ক পরিবহন’ আইনে মা’মলা করা হয়। মামলার প্রধান

আসামী শামীম আহমেদকে গ্রেপ্তারও করে পুলিশ। কিন্তু এখন নিজেদের অব’স্থান বদলে ফেলে আশার পরিবার বলছে, ‘তথ্য বিভ্রা’টে শামী’মকে আসামি ”করা হয়।’ মঙ্গ’লবার (১২ জানুয়ারি) ‘বিকেলে অভিনেত্রী আশা চৌধু’রীর মা পারভীন আক্তার’ বলেন, ঘ’টনা’স্থলের সিসি ক্যামে’রার ভি’ডিও ফুটে’জ দেখে আমাদের ম’নে হয়েছে, শামী’মের এখানে দোষ নেই।

অভিনেত্রী আশার মা পারভীন আ’ক্তার বলেন,আমার মেয়ে’কে যে রাতে হ’ত্যা করা হয়েছিল তখন আমাদের মনে হয়েছিল এ হত্যাকাণ্ডে শামীম আহ’মেদ জ’ড়িত। কারণ, সে সময় শামীম আমাদের প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিতে পারছিলেন না। একেক সময় এ’কে’ক’ কথা বলছিলেন। ফলে আমাদের সন্দেহ জন্মেছিল। কিন্তু পুলিশের উদ্ধার করা সিসি ক্যামেরার ভিডিও ‘ফুটে’জ দেখে আমাদের মনে হয়েছে, এখানে শামীমের কোনো দোষ নেই। ট্রাকটি পেছন থেকে ধাক্কা না দি’লে আমা’র মেয়ের কি’ছু হতো ‘না। শা’মীম নি’র্দোষ। মামলা তুলে নেও’য়ার ‘সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে আলো’চনা করছি আমরা। নির্দো’ষ ছেলেকে ক্ষতি করে আমার কোনো লাভ নেই।

পারভীন আক্তার বলেন, শামীম আহমেদ আমাদের পুরো পরিবারের সঙ্গে অনেকদিন ধরে জড়িত। সে আমার মেয়েকে কখনো নাম ধরে ডাকত না। ওদের সম্পর্ক ছিল ভাই-বোনের মতো। নানা কাজে শামীম আশাকে সহযোগিতা করত।এ ব্যাপারে দারুস সালাম থা’নার ভার’প্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তো’ফা’য়ের ‘আহমেদ বলেন, ‘অনেকক্ষেত্রে দেখা যায়,আসা’মিপ’ক্ষের’ সঙ্গে বাদীপ’ক্ষের সমঝোতা’ হয়। সেক্ষেত্রে তো পুলিশের কিছু করার থাকে না। তবে মামলা তুলে নেও’য়ারসুযোগ নেই। কিন্তু অ’নাপ’ত্তিপ’ত্র দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। আর মামলা তুলে নেওয়ার ব্যাপারে ওই পরিবারের সঙ্গে আমা’র কথা হয়নি। আমরা ট্রাকচালককে ধরার চেষ্টা করছি।

প্রসঙ্গত, গত ৪ জানুয়ারি রাত দেড়টার দিকে টেকনিক্যাল মোড় দি’য়ে মোটরসাইকেলে চড়ে মির’পুরের বাসায় ফিরছিলেন আশা চৌধুরী। সে সময় পেছন থেকে একটি ট্রাকের ধাক্কায় মোটরবাইক থেকে ‘রাস্তা’য় ছিটকে পড়েন আশা। এতে তার মাথা থেঁতলে যায়। শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নি”য়ে গেলে চিকিৎসকেরা

তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রায় চার বছর আগে টেলিভিশন নাটকে আশার অভিনয়ে আসা। অভিনয়কেই তিনি পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। শিল্পী হিসেবে বিটিভির তালিকাভুক্ত হয়েছিলেন। চার বোনের মধ্যে আশা ছিলেন সবার বড়। রাজধানীর বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলোজিতে (বিইউবিটি) আইন বিভাগে সপ্তম সেমিস্টারে পড়াশুনা করতেন আশা। তার গ্রামের বাড়ি পাবনা জেলায়।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*