কলেজের বকেয়া মেটাতে মাটি কা'টার কাজ করছেন ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রী

ভারতের ওড়িশার পুরী জে’লার দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থী রোজি বেহরা। পড়াশোনার খরচ চা’লানোর সামর'্থ্য নেই তার পরিবারের। সেই অবস্থাতেও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা করার জন্য ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু কলেজের ফি দিতে পারেননি। বকেয়া মেটাতে এখন মনরেগা প্রকল্পের কাজ করছেন তিনি।

সংবাদমাধ্যম আ’নন্দবাজার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দলিত পরিবারের রোজি গত ২০ দিন ধরে মনরেগা প্রকল্পের অধীনে মাটি কা’টা, রাস্তা তৈরির কাজ করছেন। এই কাজ করে রোজ ২০৭ টাকা রোজগার হয় তাঁর। তা দিয়ে পরিবারকে সাহায্য করার পাশাপাশি কলেজের বকেয়া মেটানোর চেষ্টা করছেন রোজি।

তবে এ ঘ’টনা সামনে আসতেই ওই ছাত্রীর পাশে দাঁড়ানোর আশ্বা'স দিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসন।এক সংবাদ সংস্থাকে বি’ষয়টি নিয়ে রোজি বলেছেন, ‘‘সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা শেষ করছি। কিন্তু কলেজের ৪৪ হাজার টাকা ফি এখনও বাকি রয়েছে। আমা'র বাবা ২০ হাজার টাকা অবধি জোগাড় করেছে।

বাকি টাকা জোগাড়ের জন্য চেষ্টা চা’লিয়ে যাচ্ছি। সে জন্যই এই কাজে ঢুকেছি।’’বি’ষয়টি সামনে আসতেই পুরীর জে’লা’শাসক সামন্ত ভার্মা বলেছেন, ‘‘আমর'া বি’ষয়টি দেখছি। ওই মে’য়েটির স’'ঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে আমা'দের জরুরীকালীন অফিসার।’’ ভবি’ষ্যতে তাঁর পড়াশোনার জন্য ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানিয়েছেন ওই অফিসার।

সংবাদমাধ্যম আ’নন্দবাজার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দলিত পরিবারের রোজি গত ২০ দিন ধরে মনরেগা প্রকল্পের অধীনে মাটি কা’টা, রাস্তা তৈরির কাজ করছেন। এই কাজ করে রোজ ২০৭ টাকা রোজগার হয় তাঁর। তা দিয়ে পরিবারকে সাহায্য করার পাশাপাশি কলেজের বকেয়া মেটানোর চেষ্টা করছেন রোজি।

তবে এ ঘ’টনা সামনে আসতেই ওই ছাত্রীর পাশে দাঁড়ানোর আশ্বা'স দিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসন।এক সংবাদ সংস্থাকে বি’ষয়টি নিয়ে রোজি বলেছেন, ‘‘সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা শেষ করছি। কিন্তু কলেজের ৪৪ হাজার টাকা ফি এখনও বাকি রয়েছে। আমা'র বাবা ২০ হাজার টাকা অবধি জোগাড় করেছে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*