পদ্মায় এক জে’লের জালে ৮৬টি পা'ঙ্গাস, বিক্রি সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজে’লার সুরেশ্বর ঘাট সংল'গ্ন পদ্মা নদীতে এক জে’লের জালে একসাথে ৮৬টি পা'ঙ্গাস মাছ ধ’রা পড়েছে।হালইসার মৎস্য গ্রামের মৎস্যজীবি হানিফা বেপারির জালে সোমবার ৮৬ টি পা'ঙ্গাস মাছ ধ’রা পরে। ৫ কেজি 'হতে ১৫ কেজি ওজনের এই পা'ঙ্গাস গু'লোর ওজন আনুমানিক ৭৭৪ কেজি। এছাড়া বাজার মূ’ল্য ৪, ৫০,০০০ (চার লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা)।

হানিফা বেপারি বলেন, অভ’য়াশ্রমে জাট’কা অ’ভিযানের ফলে বিলু'প্ত প্রায় এই পা'ঙ্গাস নদীতে আবার দেখা যাচ্ছে। মা ইলিশ অ’ভিযানের পর যদিও ইলিশ অনেকটা কম তবুও এই পা'ঙ্গাস প্রা’'প্ত িতে অনেক মৎস্যজীবি লাভবান।

স্থানীয় মৎসজীবীরা বলেন, পদ্মা নদীতে এত বড় সাইজের পা'ঙ্গাস এতগু'লো একসাথে কখনোই ধ’রা পড়েনি। এটা অ’বাক করার মত ঘ’টনা।তারা বলছে, নদীতে ইলিশের পরিমান কম, তবে পা'ঙ্গাসের পরিমান মো’টামুটি বেশী থাকায় তারা লোকসান পুষিয়ে উঠতে পারবে।ছে’লের সুন্দরী বউকে নিয়ে পা’লিয়ে বিয়ে করলেন শশুর, অ’তঃপরছে’লের বউকে নিয়ে শ্বশুর পা’লিয়ে যাব'ার ঘ’টনায় এলাকায় ব্যাপক চা’ঞ্চল্য ও হা’স্যরসের সৃষ্টি হয়েছে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত নয় মাস পূর্বে বাবা নুর ইস’লাম (৪৫) ছে’লের পছন্দের মেয়ের সাথেই বিয়ে দেয় তার ছে’লে বেলাল হোসেনের (২২)।

ঘ’টনাটি গত ২৪ আগস্ট পঞ্চগড় জে’লার আট'োয়ারী উপজে’লার তোড়েয়া ইউনিয়নের ছেপরাঝার গ্রামে বিয়ের পরেই জীবিকা নির্বাহেরজন্য স্ত্রী’’কে রেখে কর্মস্থলে চলে যেতে হয় বেলালকে। ছুটি পেলেই মাঝে মাঝে বাসায় আসতো ছে’লে। বেলাল বাসায় আসলে তার সাথে খা’রাপ আ’চরণ করতো তার স্ত্রী’।

এই বি’ষয়ে নুর ইস’লামের স্ত্রী’ তসলিমা বলেন, ‘আমা’র ছে’লে বাসায় আসলেআমা’র বউমা প্রতিদিন বিছানায় শোয়ার সময় আমা’র ছে’লের সাথে খা’রাপ আচরণ করতো। মাঝে মাঝে দেখা যেত আমা’র স্বা’মী আমা’র বৌমা’র সাথে আমা'দের শোবার ঘরে বসে হা’সাহাসি করতো।স’ন্দে’হ হলে আমা’র স্বা’মীকে জি’জ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বলতেনবৌমা হলো নিজের মেয়ের মত। এসব নিয়ে আমাকে প্রায় সময়ই মা’রপিট করতো। সম্মানের ভ’য়ে আমি বি’ষয়টি কাউকে জানাতে পারিনি। ১লা ভাদ্র মাসে ভাদর কা’টানির উৎসব পালনের জন্য বৌমা তার বাবার বাড়িতে যায়।

মেয়ের পরিবারিক সূত্রে জানা যায়, খালার বাড়িতে বেড়াতেযাওয়ার উদ্দেশে মে’য়ে তার বাবার বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। আগে থেকে শ্বশুর বৌমা যু’ক্তি-বু'দ্ধি করে রেখেছিল।পরিকল্পনা অনুসারে খালার বাড়িতে না গিয়ে তারা পালিয়ে বিয়ে করে ঢাকার উদ্দেশে চলে যায়। ঘ’টনার কয়েকদিন পর মেয়ে তার মাকে ফোনে নিশ্চিত করে যে সে তার শ্বশুরকে বিয়ে করেবর্তমানে ঢাকায় সংসার করছে। এদিকে শ্বশুর বৌমা বিয়ে করায় এলাকার মানুষ ধি’ক্কার ও তীব্র নি’ন্দা জানাচ্ছে। এলাকাবাসীসহ উভ’য় পক্ষের পরিবার শ্বশুর- বৌমা’র দৃষ্টান্তমূ’লক শা’স্তির দাবি করছে। যেন ভবি’ষ্যতে দ্বিতীয়বার এ ধরনের জঘন্যতম ঘ’টনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*