‘মনে হচ্ছে বিজয় আর বেশি দূরে নয়’

ঢাকায় লা’ঠিপে’টায় আ’'হত কর্মীকে পুলিশের কাছ থেকে ছি’নিয়ে আনার ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। দক্ষিণ সিটির মেয়র প্রার্থী ও দলের আন্তর্জাতিকবি’ষয়ক কমিটির অন্যতম সদস্য প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন ওই কর্মীকে ছি’নিয়ে নেন। এসময় তিনিও সামান্য আ’'হত হন।

পরে ওই ভিডিওটি ইশরাকের ফেসবুক পেজে আপলোড করা হয়। ক্যাপশনে ইশরাক লেখেন, ‘লা’ঠিচার্জ অথবা কামানের গো'লা চার্জ, যেটাই হোক জান থাকতে আমা'দের একজন কর্মী সমর'্থকেও নিয়ে যেতে দিবো না এটাই হোক আগামী দিনের সংকল্প।’

ভিডিওটি আপলোড করার প্রথম পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ ফেসবুকে নিজেদের টাইমলাইনে শেয়ার করেন। এছাড়া ৮৮ হাজারেরও বেশি মানুষ লাইক দিয়েছেন। এতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাড়ে ৮ হাজারেরও বেশি মানুষ।

শাহরুখ মাহমুদ বলেন, বড় বড় সব বাপ ব’য়সী ছাত্রদলের বুইড়া ফাপরবাজ নেতাগু'লা কই যে পালাইছিল, খোঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না। শালারা কাপুরু’ষ, দুইটা পুলিশের মাইরের ভ’য়ে পালাইছে। এরাই আবার বড় বড় লেকচার মা'রে, শালা হিজরাগু'লা।হাফেজ মাওলানা মাকছুদ তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, প্রতিটি নেতা যদি ইশরাক ভাইয়ের মত সাহসী 'হত ৷ এই দেশে অনেক আগেই ভোট অধিকার ফিরিয়ে আসতো৷ভিডিওটির প্রতিক্রিয়ায় আহিন রহমান নামের একজন তার ফেসবুক টাইমলাইনে বলেন, এটাকেই মনে হয় নেতা বলে।

ইয়াসী বিপ্লব নামের একজন বলেন, আমি আপনি যেই দল করি না কেন, তার সাহস দেখে খুব ভালো লাগলো।ইসমাঈল আহসান বলেন, হাজারো দালালের ভীড়ে বিএনপি এতদিনে একটা বাঘের বাচ্চা পেল। ইশরাকের ভূমিকায় আসলেই মুগ্ধ হয়ে গেলাম।মো. আবুবকর ছিদ্দিক নামের একজন তার ফেসবুক টাইমলাইনে ওই ভিডিওটি শেয়ার দিয়ে লেখেন, আজকের পুরো ভিডিও দেখে প্রমাণ পেয়েছি যে উনি আসলেই জনগণের রাজনীতি করেন। অবশ্য এর আগেও তিনি এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করে সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছিলেন।

সব নেতা ও কর্মীর মধ্যে সম্প’র্ক যদি হৃদয় থেকে সুদৃঢ় 'হতো তাহলে অবৈ'ধ স’রকারের পোষা গু'ণ্ডারা রাজপথ দ’খলে নিতে পারত না।আজকের মিছিলে যদি সবাই ইশরাকের ভূমিকায় থাকতো তাহলে ‘মাফিয়ার’ লোক পালাতে বা’ধ্য 'হতো। কেন্দ্রীয় নেতাদের বলতে চাই ইশরাক ভাই থেকে শিক্ষা নিন এবং দলকে মজবুত করতে হলে এরকম হাজারো ইশরাক তৈরি করুন, তবেই পারবেন রাজপথ দ’খলে রাখতে।মোহা'ম্ম’দ নাদিমুল হক নামের একজন লেখেন, ইশরাক ভাই, এই দৃশ্যটা দেখার পর কেন জানি মনে হচ্ছে বিজয় আর বেশি দূরে নয়, অনেক ভালোবাসা রইলো ভাই।

তিহা’না রেহমান মিমি নামের একজন মন্তব্য করেন, আপনার ভিডিওটি আব্বু দেখে স্মৃ'’তিচারণ করলেন যে, আপনার পিতা মর'হু’ম সাদেক হোসেন খোকাও এমন ছিলেন। আব্বুকে বংশাল মিছিল থেকে যখন পুলিশ ধরে নিয়ে যাচ্ছিলো, তখন আপনার আব্বা গিয়ে আমা'র আব্বুকে এভাবে পুলিশের থেকে ছি’নিয়ে নিয়ে আসছিলেন।এটাই আসল একজন নেতার বৈশিষ্ট্য।নায়েব আরিফ লেখেন, এমন একটা ইশরাক ভাইয়ের জন্য হাজারো নেতাকর্মী জীবন দিতেও রাজি আছে। অন্যান্য সিনিয়র নেতাদের উচিত ওনার কাছ থেকে শেখা, কিভাবে পুলিশের কাছ থেকে দলের নিরীহ কর্মীদের রক্ষা করতে হয়, আগলে রাখতে হয়। এজন্যই হয়তো ইশরাক ভাই সবার সেরা।

এস.এম দুলাল ইঞ্জিনিয়ার নামের একজন মন্তব্য করেন, যদিও আমি আওয়ামী লীগ পরিবারের লোক। বাংলাদেশের অনেক নেতা দেখেছি, এমপি, মন্ত্রী দেখেছি, কিন্তু ইশরাক ভাইয়ের মত জীবনে কাউকে দেখি নাই। এত বড় সাহসী নেতা। সব নেতারা যদি কর্মীদের এই রকমভাবে ভালোবাসতো, তাহলে দেশে নেতার চাইতে কর্মী বেশি থাকত।

মোহা'ম্ম’দ রায়হান নামের একজন লেখেন, নেতা 'হতে হবে নেতার মতো বীর। লেজ গু'টিয়া পা’লিয়ে যাওয়া কোনো ব্যক্তি নেতা 'হতে পারে না। বিএনপিতে যারা পথে নামতে ভ’য় পায় অথচ ঘরে বসে বড় বড় ডায়ালগ দেয়। তাদের কারনেই আজ বাংলাদশে এই খা’রাপ অবস্থা। হাজার সালাম ইশরাক ভাই আপনাকে। যোগ্য পিতার যোগ্য স’ন্তান।কেএম সাব্বির নামের একজন লেখেন, আমি একজন ছাত্রলীগ কর্মী। এই ভিডিওটা বারবার দেখছি, একজন কর্মীর প্রতি নেতার ভালোবাসা, ওই কর্মীটা আসলেই ধ’ন্য। বিএনপিকে শ’ক্তিশালী করতে হলে বুড়ো মালদের সরিয়ে ইশরাক সাহেবদের হাতে নেতৃত্বে দিক, বিএনপি উজ্জ্বীবিত হবে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*