মুক্তিযো'দ্ধাদের র'ক্তের সাথে ভারতীয় সেনার র'ক্ত মিশে আছে : তথ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক : তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বাংলাদেশ-ভারত দুদেশের সম্পর্কযুক্ত সংবাদ পরিবেশনে যত্নবান থাকার জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ-ভারত দু’দেশের সম্পর্কযুক্ত সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে যত্নবান থাকতে হবে যাতে ভুল, অসত্য কিংবা তথ্যনির্ভর নয় এমন কিছু দু’দেশের সম্পর্কে অহেতুক বিরূপ প্রভাব না ফেলে।

আজ ম'ঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর তোপখানা রোডে জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে ইন্ডিয়ান মিডিয়া করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ-ইমক্যাব' আয়োজিত ‘ব'ঙ্গবন্ধু : বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে আমর'া দেখেছি করো’না টিকা নিয়েও কিছু ভুল, অসত্য সংবাদ আমা'দের দেশে এবং ভারতেরও কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে পরিবেশিত হয়েছে, যা দু’দেশের মানুষের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির উপক্রম করেছে। পরে ভারতীয় ক'র্তৃপক্ষের সংবাদ সম্মেলনে তা নিরসন হয়েছে।

মন্ত্রী তার বক্তৃতায় গভীর কৃতজ্ঞতাভরে মহান মুক্তিযু'দ্ধে ভারতের অবদানের কথা স্মর'ণ করে বলেন, আমা'দের মহান মুক্তিযু'দ্ধে ভারত শুধু আমা'দের সহায়তাই করেনি, আমা'দের মুক্তিকামী মানুষের সাথে ভারতের সেনাবাহিনী যু'দ্ধ করেছে, মুক্তিযো'দ্ধাদের র'ক্তের সাথে ভারতের সেনাবাহিনীর সদস্যদের র'ক্তও মিশে আছে এবং বাংলাদেশের এক কোটি মানুষকে ভারত আশ্রয় দিয়েছিল। পার্শ্ববর্তী রাজ্যগু'লোতে অনেক পরিবার তাদের ঘরের একটি বা দুটি কক্ষ শরণার্থীদের জন্য ছেড়ে দিয়েছিল। বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, ভারতের মানুষের এই অবদান, ভারতের অবদান, ভারতের সেনাবাহিনীর আ'ত্ম'দান বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

ব'ঙ্গবন্ধু এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযু'দ্ধের সময় ব'ঙ্গবন্ধু কারা'গারে অন্তরীণ ছিলেন। তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী শুধুমাত্র বাংলাদেশকে মুক্ত করার জন্য নয়, ব'ঙ্গবন্ধুর ফাঁ'সির আদেশ হবার পর ব'ঙ্গবন্ধুকে যাতে ফাঁ'সি দেওয়া না হয়, সেজন্য এক দেশ থেকে আরেক দেশে এমন করে ৩০টি দেশ সফর করেছেন। ব'ঙ্গবন্ধুর মুক্তির মধ্য দিয়ে আমা'দের স্বাধীনতা পূর্ণতা লাভ করেছিল। এ অবদান কখনো ভোলার নয়।

ইমক্যাব' সভাপতি বাসুদেব ধরের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার শ্রী বিক্রম দোরাইস্বামী। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, বিএফইউজের সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মুক্তিযো'দ্ধা ও সিনিয়র সাংবাদিক হারুন হাবীব এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সবুজ।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*