শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা ধ্বং'স করতে ভয়ংকর চেষ্টা চালানো হয়: হাইকোর্ট

নিউজ ডেস্ক : গো'পালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হ'ত্যাচেষ্টার মা'মলার আপিলের রায়ে হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণে বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে ব'ঙ্গবন্ধুকে হ'ত্যার পর সমগ্র জাতিকে পিছিয়ে দেওয়ার অ’পচেষ্টা করা হয়েছিল। সে অবস্থা থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার উন্নত দেশ গঠনের চেষ্টা শুরু করলে তার জনপ্রিয়তাকে ধ্বং'স করতে ভয়ংকরভাবে চেষ্টা চালানো হয়। এটি দেশের জন্য কালো, জঘন্য ও বর্বরোচিত অধ্যায়।

আ'দালত বলেন, কোটালীপাড়ায় বো'মা হা'মলার প্রচেষ্টার মাধ্যমে মূলত আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার ষ'ড়যন্ত্র হয়েছিল। ১৫ আগস্টের পর ইতিহাসে আরও একটি কলঙ্কজনক কালো অধ্যার সৃষ্টি করতে চেয়েছিল জ'ঙ্গিরা।

আ'দালত আরও বলেন, সেদিন কোটালীপাড়ায় বো'মাগু'লো ফুটলে বো'মা পুঁতে রাখার স্থান থেকে চারপাশে এক কিলোমিটার ধ্বং'সলীলায় রূপান্তরিত 'হতো। মাটির ভূগ'র্ভে ৯ ফুট ৫ ইঞ্চি গভীর ক্ষত সৃষ্টি 'হতো এবং ওপরে ৩৪ ফুট পর্যন্ত প্রভাব বিস্তার করত। সব মিলিয়ে ওই হা'মলা সফল হলে চারপাশ ধ্বং'সলীলায় পরিণত 'হতে পারত। আ'দালত বলেন, এ মা'মলার ত'দন্ত সন্তোষজনক ছিল না।

গো'পালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ২০০০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হ'ত্যাচেষ্টা মা'মলায় ১০ জনকে বিচারিক আ'দালতের দেওয়া মৃ'ত্যুদ'ণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

পাশাপাশি যাব'জ্জীবন দ'ণ্ডপ্রা'প্ত আ'সামি মেহেদী হাসান ওরফে আবদুল ওয়াদুদ এবং ১৪ বছরের দ'ণ্ডিত আনিসুুল ইসলাম ওরফে আনিসের সাজাও বহাল আছে। তবে খালাস দেওয়া হয়েছে ১৪ বছরের সশ্রম কারা'দ'ণ্ডে দ'ণ্ডিত সারওয়ার হোসেনকে। এ ছাড়া কারা'গারে থাকা ১৪ বছরের সাজাপ্রা'প্ত মহিবুল­াহ ওরফে মফিজুর রহমানকে মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে মহিবুল্লাহর কারা'ভোগ সম্পন্ন হওয়ায় এ নির্দেশ দেন আ'দালত।

বুধবার বিচারপতি জাহা'ঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ বাংলায় এ রায় ঘোষণা করেন। আ'দালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এ মোহা'ম্ম'দ শাহীন মৃ'ধা। মৃ'ত্যুদ'ণ্ডপ্রা'প্ত পলাতক চার আ'সামির পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন অমূল্য কুমা'র সরকার। বাকি আ'সামিদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এসএম শাহজাহান, মোহা'ম্ম'দ আহাসান, ইমা'দুল হক ও নাসির উদ্দিন।

এ মা'মলায় মৃ'ত্যুদ'ণ্ডপ্রা'প্ত রা হলেন : ওয়াসিম আক্তার ওরফে তারেক ওরফে মা'রফত আলী, রাশেদ ড্রাইভার ওরফে আবুল কালাম ওরফে রাশেদুজ্জামান ওরফে শিমন খান, ইউসুফ ওরফে মোসাহাব মোড়ল ওরফে আবু মুসা হারুন, শেখ ফরিদ ওরফে মাওলানা শওকত ওসমান, হাফেজ জাহা'ঙ্গীর আলম বদর, মাওলানা আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আব্দুল হাই ও মাওলানা আব্দুর রউফ ওরফে আব্দুর রাজ্জাক ওরফে ওমর'।

১৪ বছরের দ'ণ্ডিত মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমানের দ'ণ্ড বহাল রেখে আ'দালত বলেন, দেখা যাচ্ছে- শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানোর পর থেকে তার ১৪ বছর দ'ণ্ড ভোগ করা হয়ে গেছে। তাকে বিচারিক আ'দালত ১৪ বছর দ'ণ্ডের পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারা'দ'ণ্ডের নির্দেশ দেন। সুতরাং জেলকোড অনুসারে এ আ'সামি তার ওপরে প্রদত্ত দ'ণ্ড যদি ভোগ করে থাকেন, তবে তাকে মুক্তি দিতে (যদি অন্য কোনো মা'মলা না থাকে) নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।

গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর এ আপিল শুনানি শুরু হয়। ১ ফেব্রুয়ারি শুনানি শেষে রায়ের জন্য ১৭ ফেব্রুয়ারি বুধবার দিন ধার্য করা হয়েছিল। সে অনুসারে রায় ঘোষণা করা হয়।২০০০ সালে কোটালীপাড়া সফরের অংশ হিসাবে শেখ লুৎফর রহমান সরকারি আদর্শ কলেজ মাঠে ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।

সমাবেশের দুদিন আগে ২০ জুলাই কলেজ প্রা'ঙ্গণে জনসভার প্যান্ডেল তৈরির সময় শক্তিশালী বো'মা'র অস্তিত্ব পাওয়া যায়। পরে ওই কলেজের উত্তর পাশে সন্তোষ সাধুর দোকানঘরের সামনে থেকে সেনাবাহিনীর একটি দল ৭৬ কেজি ওজনের বো'মাটি উ'দ্ধার করে। পরদিন ২১ জুলাই গো'পালগঞ্জ সদর থেকে ৮০ কেজি ওজনের আরও একটি শক্তিশালী বো'মা উ'দ্ধার করা হয়। এসব ঘটনায় আলাদা দুটি মা'মলা করা হয়। ২০১০ সালে মা'মলা দুটি ঢাকার ২ নম্বর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। জ'ঙ্গি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানের অন্য মা'মলায় ফাঁ'সি কার্যকর হওয়ায় এ মা'মলা থেকে তাকে বাদ দেওয়া হয়।
নিউজ ডেস্ক : ‘চকচকে চাল খাওয়া বন্ধ করতে হবে। মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই, এটা ব্র্যান্ডের নাম। মিলাররা বিভিন্ন জাতের ধান ছাঁটাই করে এসব ব্র্যান্ডের চাল বাজারজাত করছে।’

আজ বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর ইস্কাটনে প্রবাসীকল্যাণ ভবনের বিজয় একাত্তর হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুম'দার।আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) চতুর্থ নিরাপ'দ খাদ্য দিবস-২০২১ উদযাপন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ নিরাপ'দ খাদ্য ক'র্তৃপক্ষ।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, নিরাপ'দ চাল খেতে চাইলে লাল চাল খেতে হবে। চকচক করলেই সোনা হয় না, এটা বোধ হয় আমর'া ভুলে গেছি। চকচকে চাল খেতেই আমর'া পছন্দ করি। আর ব্যবসায়ীরা এই সুযোগ নিয়ে কারসাজির আশ্রয় নেয়। তারা বিভিন্ন জাতের চাল কে'টে-ছেঁটে এসব চাল প্রস্তুত করে। চাল যত বেশি পলিশ করা হয় দামও তত বেশি হয়, সেটা প্যাকেটজাত করলে দাম আরো বেশি হয়। চকচকে চাল খাওয়া বন্ধ করতে হবে। মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই, এটা ব্র্যান্ডের নাম। মিলাররা বিভিন্ন জাতের ধান ছাঁটাই করে এসব ব্র্যান্ডের চাল বাজারজাত করছে।

খাদ্যমন্ত্রী আরো বলেন, মিনিকেট চালের বি'ষয়ে সার্ভে করতে আমা'দের একটি কমিটি করে দেওয়া হয়েছিল, সেই রিপোর্টটি আমর'া হাতে পেয়েছি। মিনিকেট আসলে একটি ব্র্যান্ডের নাম। পলিশ, ফাইন পলিশ, মিডিয়াম পলিশের মাধ্যমে মিলাররা এই ব্র্যান্ডের চাল তৈরি করে বাজারজাত করে।

মন্ত্রী বলেন, এটি চাইলেই বন্ধ করা সম্ভব নয়। মিলাররা কৃষকদের কাছ থেকে একই জাতের ধান পায় না। কৃষকরা একই বস্তায় বিভিন্ন জাতের ধান পুরে মিলারদের সরবরাহ করেন। সেখানে জাতের স্বকীয়তা থাকে না। এরপর মিলাররা তা পলিশ করে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে বাজারজাত করে। তাই এটি চাইলেই বন্ধ করা যাব'ে না, তবে ধাপে ধাপে অগ্রসর 'হতে হবে।

অ’পর এক প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে নিরাপ'দ খাদ্য নিশ্চিত করতে ১৮টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগ এবং মোট ৪৮৬টি সংস্থা কাজ করছে। নিরাপ'দ খাদ্য ক'র্তৃপক্ষ তাদের সমন্বয়ের কাজ করছে।’

নিরাপ'দ খাদ্য নিশ্চিত করতে প্রতিনিয়ত নজরদারি করা হচ্ছে জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিদিন আমা'দের তিনটি টিম বিভিন্ন এলাকায় মনিটরিংয়ে বের হয়, ২টি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এই পর্যন্ত নিরাপ'দ খাদ্য ক'র্তৃপক্ষ ৯ হাজার ৪৭৫টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে। অ'ভিযানে কারো ত্রুটি পাওয়া গেলে জরিমানাসহ বিভিন্ন শর্ত পূরণে নির্ধারিত সময় বেঁধে দেওয়া হচ্ছে।’

নিউজ ডেস্ক : ‘চকচকে চাল খাওয়া বন্ধ করতে হবে। মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই, এটা ব্র্যান্ডের নাম। মিলাররা বিভিন্ন জাতের ধান ছাঁটাই করে এসব ব্র্যান্ডের চাল বাজারজাত করছে।’

আজ বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর ইস্কাটনে প্রবাসীকল্যাণ ভবনের বিজয় একাত্তর হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুম'দার।আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) চতুর্থ নিরাপ'দ খাদ্য দিবস-২০২১ উদযাপন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ নিরাপ'দ খাদ্য ক'র্তৃপক্ষ।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, নিরাপ'দ চাল খেতে চাইলে লাল চাল খেতে হবে। চকচক করলেই সোনা হয় না, এটা বোধ হয় আমর'া ভুলে গেছি। চকচকে চাল খেতেই আমর'া পছন্দ করি। আর ব্যবসায়ীরা এই সুযোগ নিয়ে কারসাজির আশ্রয় নেয়। তারা বিভিন্ন জাতের চাল কে'টে-ছেঁটে এসব চাল প্রস্তুত করে। চাল যত বেশি পলিশ করা হয় দামও তত বেশি হয়, সেটা প্যাকেটজাত করলে দাম আরো বেশি হয়। চকচকে চাল খাওয়া বন্ধ করতে হবে। মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই, এটা ব্র্যান্ডের নাম। মিলাররা বিভিন্ন জাতের ধান ছাঁটাই করে এসব ব্র্যান্ডের চাল বাজারজাত করছে।

খাদ্যমন্ত্রী আরো বলেন, মিনিকেট চালের বি'ষয়ে সার্ভে করতে আমা'দের একটি কমিটি করে দেওয়া হয়েছিল, সেই রিপোর্টটি আমর'া হাতে পেয়েছি। মিনিকেট আসলে একটি ব্র্যান্ডের নাম। পলিশ, ফাইন পলিশ, মিডিয়াম পলিশের মাধ্যমে মিলাররা এই ব্র্যান্ডের চাল তৈরি করে বাজারজাত করে।

মন্ত্রী বলেন, এটি চাইলেই বন্ধ করা সম্ভব নয়। মিলাররা কৃষকদের কাছ থেকে একই জাতের ধান পায় না। কৃষকরা একই বস্তায় বিভিন্ন জাতের ধান পুরে মিলারদের সরবরাহ করেন। সেখানে জাতের স্বকীয়তা থাকে না। এরপর মিলাররা তা পলিশ করে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে বাজারজাত করে। তাই এটি চাইলেই বন্ধ করা যাব'ে না, তবে ধাপে ধাপে অগ্রসর 'হতে হবে।

অ’পর এক প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে নিরাপ'দ খাদ্য নিশ্চিত করতে ১৮টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগ এবং মোট ৪৮৬টি সংস্থা কাজ করছে। নিরাপ'দ খাদ্য ক'র্তৃপক্ষ তাদের সমন্বয়ের কাজ করছে।’

নিরাপ'দ খাদ্য নিশ্চিত করতে প্রতিনিয়ত নজরদারি করা হচ্ছে জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিদিন আমা'দের তিনটি টিম বিভিন্ন এলাকায় মনিটরিংয়ে বের হয়, ২টি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এই পর্যন্ত নিরাপ'দ খাদ্য ক'র্তৃপক্ষ ৯ হাজার ৪৭৫টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে। অ'ভিযানে কারো ত্রুটি পাওয়া গেলে জরিমানাসহ বিভিন্ন শর্ত পূরণে নির্ধারিত সময় বেঁধে দেওয়া হচ্ছে।’

২০১৭ সালের ২০ আগস্ট দুই মা'মলার একটিতে ১০ আ'সামিকে মৃ'ত্যুদ'ণ্ডের আদেশ দেন আ'দালত। এ ছাড়া একজন আ'সামির যাব'জ্জীবন কারা'দ'ণ্ড ও তিনজনের ১৪ বছর করে কারা'দ'ণ্ড দেন ঢাকার ২ নম্বর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মমতাজ বেগম। রায় ঘোষণার এক স'প্ত াহের মাথায় ২৭ আগস্ট বিচারিক আ'দালত থেকে পাঠানো ডেথ রেফারেন্স, রায় ও মা'মলার নথিপত্র হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এরপর আ'সামিদের পক্ষে তিনটি আপিল ও সাতটি জেল আপিল করা হয়। নিয়মানুসারে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্নের পর এ ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য বিচারপতি জাহা'ঙ্গীর হোসেন সেলিমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চের কার্যতালিকায় আসে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*