ভারতের জনপ্রিয় ফ্রাঞ্চাইজিভিত্তিক ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্মৃ’তিচারণে ব্যস্ত খেলোয়াড়রা। শনিবার স্মৃ’তির পাতা হাতড়িয়ে আইপিএলের প্রথম ম্যাচে অপরাজিত ১৫৮ রানের ইনিংসটি নিয়ে কথা বলেছিলেন কিউই কিংবদন্তি ব্রেন্ডন ম্যাককালাম।

এবার ২০১৬ সালের সানরাইজার্স হায়দরাবাদ দলের বোলিং আ’ক্রমণের প্রশংসা করে স্মৃ’তিচারণ করলেন দলটির অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার।বাংলাদেশি কা’টার মাস্টার

ওয়ার্নার জানান, ২০১৬ সালের আইপিএল আমার জীবনের স্মরণীয় এক মুহূর্ত। সেবার আমার মনে হয়েছিল, প্রথমে ব্যাট করে প্রতিপক্ষকে আ’টকে রাখাই আমাদের আসল শক্তির জায়গা। কারণ আমাদের দলের বোলিং দারুণ শক্তিশালী ছিল। প্রতিটি ম্যাচেই ভুবনেশ্বর, মোস্তাফিজদের ওপর ভরসা রেখে খেলেছি। তারা আমার আস্থার প্রতিদানও দিয়েছিল।

তিনি বলেন, ফাইনালে আমরা বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে খেলেছিলাম। ওদের নিজেদের মাঠে খেলা। আমরা জানতাম ওরা খুবই ভালো দল। বিরাট সেই বছর সাড়ে নয়শর মতো রান করেছিল। ক্রিস গেইল, এবি ডি ভিলিয়ার্সসহ তাদের দলটা ছিল অসাধারণ।

এর পর ওয়ার্নার বলেন, এমন শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপের দলকে পরে ব্যাট করতে পাঠাব এমনটাই ভেবে রেখেছিলাম। বেঙ্গালুরুতে রান তাড়া করা সহজ। ওরাও রান তাড়ায় ভালো।

তবু আমি আমাদের বোলিং শক্তিতে আস্থা রেখেছিলাম। টসে জিতে ব্যাটিং নিয়েছিলাম। আমাদের বোলিং আ’ক্রমণ খুবই ভালো ছিল। এটিই আমাদের জয়ের সেরা সুযোগ করে দেয়।

তিনি বলেন, ওরা ১০ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ১৪৫ রান করে ফে’লে। ভীষণ চিন্তিত হয়ে পড়েছিলাম। এর পর খুব দ্রুত দুটি সেরা উইকেট তুলে নেয় আমাদের বোলার। এতেই আমাদের স্পিরিট বেড়ে যায়।

আমাদের বোলারদের কাছে শেষ পর্যন্ত হার মানেন কোহলিরা। ফাইনালের আগে ব্যাট করে হায়দরাবাদ ২০৮ রান সংগ্রহ করে। শেষ পর্যন্ত ৮ রানে ফাইনাল জিতে শিরোপা জয় করে ওয়ার্নার-মোস্তাফিজের দল।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে সেই বোলাররাই হায়দরাবাদকে আইপিএল শিরোপা জিতেয়েছিল। সেই বছর আইপিএলে প্রথমবার খেলতে নেমেই তাক লাগিয়ে দেন তরুণ মোস্তাফিজ।

১৬ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়ে হায়দরাবাদকে আইপিএল শিরোপা জেতাতে বড় ভূমিকা রাখেন। টুর্নামেন্টের সেরা উদীয়মান ক্রিকেটারের পুরস্কারও জিতে নেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here