ক’রোনাভা’ইরাসে (কভিড-১৯) ম’হামা’রীর মধ্য যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করছেন না অভিযোগ এনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের কড়া সমালোচনা করেছেন সং’সদ সদস্যরা। তাদের কেউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরিয়ে দেওয়ারও দাবি তুলেছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সং’সদে ছাঁটাই প্রস্তাবের ও’পর আলোচনা করতে গিয়ে বি’রোধী দলের একাধিক সাংসদ স্বাস্থ্য খাতের দুরবস্থা তুলে ধরেন।

জাতীয় পার্টির (জাপা) সাংসদ মুজিবুল হক স্বাস্থ্য খাতের দুরবস্থা তুলে ধরে বলেন, দুঃখের বি’ষয়, সাবেক-বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর যারই হোক, অসু’খ হলে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। স’রকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেই। প্রধানমন্ত্রী, আপনি একটা নির্দেশনা দেন। এমপি, মন্ত্রী, স’রকারি কর্মকর্তা বা’ধ্যতামূ’লকভাবে স’রকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করবেন। জরুরি প্রয়োজন না হলে বিদেশ যাবে না। তাহলে (অবস্থার) উন্নতি হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সমালোচনা করে মুজিবুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টা খবর রাখছেন। কিন্তু আপনার স্বাস্থ্যমন্ত্রীর তো একবার ঢাকা মেডিকেলে, একবার সোহরাওয়ার্দী, একবার জাতীয় হৃদ্‌রো’গ হাসপাতালে কিংবা পিজিতে ভিজিট করা উচিত ছিল।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ৩ মার্চ স্বাস্থ্যের মহাপরিচালক বললেন, বাংলাদেশের যে আর্দ্রতা, গরম, ক’রোনা বাংলাদেশে আসতে আসতে ম’রে যাবে। কোনো সমস্যা হবে না। আবার ২৫ জুন সেই একই ব্যক্তি বললেন, ক’রোনা দুই থেকে তিন বছরে যাবে না। এগুলো দেখা প্রয়োজন।’

বিএনপির সং’সদ সদস্য হারুনুর রশীদ বলেন, ক’রোনায় মা’রা যাবে। সারা পৃথিবীতে যাচ্ছে। কিন্তু কতটুকু চিকিৎসা দিতে পারছি, এটাই বড় প্রশ্ন? দেশে সেই চিকিৎসাটাই নেই।

জাপার আরেক সাংসদ পীর ফজলুর রহমান স্বাস্থ্য ম’ন্ত্রণালয়ের দু’র্নীতি তুলে ধরতে গিয়ে বলেন, ৩৭ লাখ টাকার পর্দার কথা শুনেছি। ডাক্তারদের ২০ কোটি টাকার খাওয়ার বিল এসেছে। সেখানে একটি কলার দাম ২ হাজার টাকা। একটা ডিমের দাম এক হাজার টাকা। রুটির এক স্লাইসের দাম তিন হাজার টাকা। এ অবস্থা ক’রোনাকালেও।

তিনি বলেন, কয়েক দিন আগে দেখেছি কিট কেনার দু’র্নীতির কারণে জিম্বাবুয়ের স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে। মানুষ বলছে, আমাদের স্বাস্থ্য ম’ন্ত্রণালয় নাকি মিনা কার্টুনে পরিণত হয়েছে। টিয়া পাখি দ্বারা চলছে স্বাস্থ্য ম’ন্ত্রণালয়।

পীর ফজলুর রহমান বলেন, এই যে আইসিইউ, অক্সিজেন ও চিকিৎসা নেই। গ্রামের বাজারের লোকজন তাকে সং’সদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে সরিয়ে দেওয়ার কথা তোলার অনুরোধ করেছেন।

জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার ম’ন্ত্রণালয়ের নেওয়া নানা পদক্ষেপ তুলে ধরেন এবং নিজে মাঠে আছেন বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, অনেক সময় মিডিয়া বলে, আমরা এখন ঘরে বসে আছি। মিডিয়া যদি সব সময় শুধু মৃ’ত্যুর খবর, দুঃসংবাদ দিতে থাকে, তাহলে আমাদের যারা তরুণ জেনারেশন আছে, তারা কিন্তু মা’নসিকভাবে অ’সুস্থ হয়ে যাবে। আমাদের ব’য়স্করাও অ’সুস্থ হয়ে যাবে। আমরাও যারা আছি, তারাও অ’সুস্থ হয়ে যাব। তাই আমাদের একটু পজিটিভলি কথা বলতে হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পাঁচ মাস কিন্তু আমরাই মাঠে আছি। প্রতিটি হাসপাতাল যে আমরা যাইনি, এ কথাটা সঠিক নয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here