মুর্শিদাবাদস্থ জলংগী সী’মান্তে বেড়েছে ভারতের বিএসএফ টহল। বেশ কিছু সূত্র থেকে এ ত’থ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে ডিফেন্স রিসার্স ফোরম। মুলত,পদ্মা নদী বরাবর ভারতীয় অংশে টহল স্বাভাবিক থাকলেও বিগত কয়েকদিনে নতুন করে ২-৩ কোম্পানী বিএসএফ সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে সেখানে।

সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের সাথে প্রতিবেশী বাংলাদেশ বাদে ভুটান,পাকিস্তান, চীন ও নেপালের সী’মান্তে বি’রোধ বেড়েছে। পরোক্ষভাবে ভারত এখন চীনের ‘স্ট্রিং অফ পার্ল তত্ব’ নিয়েও চিন্তিত। এর মধ্যে পদ্মা নদী বরাবর ভারতের টহল বৃ’দ্ধি ভবি’ষ্যতে বাংলাদেশী নাগরিকদের হ’ত্যার ঝুঁ’কিকে আরো বৃ’দ্ধি করছে।

অবশ্য মুর্শিদাবাদ সী’মান্তে বিএসএফ এর সংখ্যাবৃ’দ্ধি দুশ্চিন্তা ছড়িয়েছে জলংগী সী’মান্তের মানুষের মাঝেও। সী’মান্তে বিএসএফ এর এমন শোডাউনে অনেকেই ভাবছেন, বাংলাদেশও কি ভারতের হাত ছাড়া হয়ে যাচ্ছে? নাকি ভারত এ মুহূর্তে বাংলাদেশে চীনের প্রভাব বৃ’দ্ধি নিয়ে চিন্তিত।

আরো পড়ুন: ভারতকে ক’ঠোর হুঁ’শিয়ারি পাকিস্তানের

বিএসএফ এর বক্তব্য:
মুর্শিদাবাদ সী’মান্তে বিএসএফ এর সংখ্যা বৃ’দ্ধির কথা নাম না প্রকাশের শর্তে বিএসএফ এর একজন সদস্য স্বীকার করেছেন। সংখ্যা বৃ’দ্ধি নিয়ে বাংলাদেশ-ভারত সম্প’র্ক নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই বলেও জানান তিনি।

সীমান্ত হ’ত্যার সমাধান কোথায়:
এদিকে বিগত কয়েকদিনে ভারতীয় সী’মান্তে নীরিহ বাংলাদেশী হ’ত্যা বৃ’দ্ধি পেয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ সম্প’র্ক ‘ভাল’ থাকলেও সী’মান্তে হ’ত্যা বন্ধুত্বের লক্ষণ বহন করে না। অ’বৈধ অনুপ্রবেশ হলে ফৌজিদারী আ’দালতে ভারত নিজেই বিচার করে বাংলাদেশীদের সাজা শেষে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে পারে। রাষ্ট্রের সী’মান্তে গোলাগু’লি এবং নীরিহ বাংলাদেশী হ’ত্যা নিয়ে ভারত আশ্বাস দিলেও তা পুরোটা বাস্তবায়ন হয়নি। এমন হ’ত্যাকান্ড চীন কিংবা পাকিস্তান অথবা নেপাল সী’মান্তে সংঘঠিত হলে তার ফলাফল হতো সূদুরপ্রসারী।

এছাড়া সীমান্ত হ’ত্যা বৃ’দ্ধি কি বাংলাদেশকে নতুন কোন বার্তা দেয়ার ভারতীয় প্রয়াস কিনা তাও ভেবে দেখা প্রয়োজন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here