অস্বীকার করেছেন সাবরিনা। শনিবার (১১ জুলাই) সময় সংবাদের পক্ষ থেকে ডা. সাবরিনার সাক্ষাৎকার নেয়া হয়। সাক্ষাৎকারে দেয়া বক্তব্য মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যেই অস্বীকার করেন তিনি।

সাবরিনা প্রথমে বলেন, জেকেজি হাসপাতালের এ অনিয়মের বি’ষয়ে তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ও এডিজিকে জানিয়েছিলেন তিনি। বি’ষয়টি তাদের জানিয়ে নিজেকে জেকেজি থেকে সরিয়ে নেন বলে দাবি করেন সাবরিনা।

কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরই অনিয়মনের বি’ষয়টি তিনি জানতেন এমন ত’থ্য অস্বীকার করেন। একটি টিভি চ্যানেল থেকে সাবরিনাকে প্রশ্ন করা হয়, দিনের পর দিন যে ভুয়া রিপোর্ট দিচ্ছিল এ বি’ষয়টি আপনি জানতেন কিনা?

এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমি কোনোভাবেই টের পাইনি। কারণ আমি ওই অফিসে যেতাম না। আমি বাবার বাড়িতে থাকতাম।’ এছাড়া জেকেজি হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী (সিইও) আরিফ চৌধুরীর স’ঙ্গে স্বা’মী-স্ত্রীর সম্প’র্ক অস্বীকার করেছেন জেকেজির অ’ভিযুক্ত চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা।

তিনি বলেছেন, জেকেজির সিইও আরিফ চৌধুরী এ মুহূর্তে আমার স্বা’মী না। আমরা আলাদা থাকছি। ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছি। আরও দুই মাস বাকি আছে (ডিভোর্স কার্যকর হতে)।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here